পরিবারের দুজন যদি সত্যিই আলাদা দুটো অ্যাকাউন্ট করতে চান, তাহলে প্রতিটি অ্যাকাউন্ট আলাদা মোবাইল নম্বর, আলাদা ইমেইল এবং আলাদা পেমেন্ট অ্যাকাউন্ট (যেমন আলাদা বিকাশ নম্বর) দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। একই ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে তবে তথ্য আলাদা হতে হবে।
কেউ যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলে বোনাস সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, Wicket11-এর সিস্টেম সেটা ধরে ফেলে। ধরা পড়লে বোনাস বাজেয়াপ্ত হবে এবং অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে। তাই একটাই অ্যাকাউন্ট রাখুন, সঠিক তথ্য দিয়ে — এটাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে ভালো।
বিকাশ: ন্যূনতম ১০০ টাকা, সর্বোচ্চ দিনে ২৫,০০০ টাকা। সেন্ড মানি বা পেমেন্ট — দুটো পদ্ধতিই গ্রহণযোগ্য। ডিপোজিট সাধারণত ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ব্যালেন্সে যোগ হয়।
নগদ: ন্যূনতম ১০০ টাকা, সর্বোচ্চ দিনে ২০,০০০ টাকা। নগদের "পে" অপশন থেকে সহজে ডিপোজিট করা যায়।
রকেট: ন্যূনতম ১০০ টাকা। ডাচ বাংলা ব্যাংকের রকেট অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি পাঠানো যায়।
ব্যাংক ট্রান্সফার: ন্যূনতম ৫০০ টাকা। নেট ব্যাংকিং বা সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারে ডিপোজিট করা যায় — তবে এটা কিছুটা বেশি সময় নিতে পারে (সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট)।
ডিপোজিটে কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই। ড্যাশবোর্ডে "ডিপোজিট" ট্যাব থেকে পছন্দের মাধ্যম বেছে নিন এবং নির্দেশিকা অনুসরণ করুন।
ধাপ ১: অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং ড্যাশবোর্ড থেকে "উইথড্রয়াল" বা "টাকা তুলুন" ট্যাবে যান।
ধাপ ২: পেমেন্ট মাধ্যম বেছে নিন (বিকাশ/নগদ/রকেট)। উইথড্রয়াল সেই একই নম্বরে যাবে যেটা দিয়ে ডিপোজিট করা হয়েছিল।
ধাপ ৩: পরিমাণ লিখুন। ন্যূনতম উইথড্রয়াল ৫০০ টাকা।
ধাপ ৪: অনুরোধ জমা দিন।
প্রক্রিয়াকরণ সময়: বেশিরভাগ উইথড্রয়াল ১–৬ ঘণ্টার মধ্যে হয়। ব্যস্ত সময়ে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা লাগতে পারে। সপ্তাহান্তে সামান্য বেশি সময় লাগতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ: প্রথমবার উইথড্রয়ালের আগে KYC যাচাই সম্পন্ন করতে হবে — জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি এবং একটি সেলফি আপলোড করুন। KYC যাচাই সাধারণত ১–২ ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যায়। উইথড্রয়ালে কোনো লুকানো চার্জ নেই।
Wicket11-এর বিশ্বাসযোগ্যতার কয়েকটা কারণ:
— প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত, মানে আপনার আর্থিক তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের হাতে যায় না।
— KYC প্রক্রিয়ায় প্রতিটি অ্যাকাউন্টের পরিচয় যাচাই করা হয়, ফলে জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঝুঁকি কম।
— উইথড্রয়াল সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায় হয় — এটা একটা বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
— দায়িত্বশীল খেলার টুল (ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন) থাকা মানে প্ল্যাটফর্ম শুধু মুনাফার পিছনে নয়, ব্যবহারকারীর কল্যাণ নিয়েও ভাবছে।
কোনো সংশয় থাকলে সাপোর্ট টিমকে জিজ্ঞেস করুন — তারা লাইসেন্সিং সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত।
ইনস্টল করার ধাপ:
১. মোবাইলের সেটিংসে যান → "Unknown Sources" বা "Install unknown apps" চালু করুন।
২. Wicket11-এর সাইটে গিয়ে "অ্যাপ ডাউনলোড" বোতামে ক্লিক করুন।
৩. APK ফাইল ডাউনলোড হলে "Install" করুন।
৪. ইনস্টল হয়ে গেলে অ্যাপ খুলুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
iOS (iPhone) ব্যবহারকারীদের জন্য: আলাদা অ্যাপ ইনস্টলের দরকার নেই। Safari বা Chrome-এ wicket11.best খুলে "Add to Home Screen" করুন — হোম স্ক্রিনে আইকন আসবে এবং অ্যাপের মতোই কাজ করবে।
অ্যাপের মাধ্যমে লাইভ বেটিং, ডিপোজিট, উইথড্রয়াল — সব ফিচার পাওয়া যায়। পুশ নোটিফিকেশন চালু করলে ম্যাচ শুরু ও অফারের আপডেট সরাসরি ফোনে পাবেন।
ফুটবল: প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্দেসলিগা, সিরি-এ, চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচসহ প্রতিদিন শতাধিক ম্যাচ পাওয়া যায়। ম্যাচ উইনার, উভয় দল গোল করবে কি না, মোট গোল — এই ধরনের বাজার আছে।
টেনিস: গ্র্যান্ড স্ল্যাম থেকে ATP ট্যুর পর্যন্ত। সেট বেটিং ও ম্যাচ বেটিং দুটোই পাওয়া যায়।
বাস্কেটবল: NBA এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট।
কাবাডি ও স্থানীয় খেলা: বাংলাদেশের দর্শকদের পছন্দের কিছু স্থানীয় খেলাও মাঝে মাঝে কভার করা হয়।
স্পোর্টস বেটিং পেজে বাম দিকে সব স্পোর্টের তালিকা আছে। পছন্দের খেলা বেছে নিলে চলতি ও আসন্ন সব ম্যাচ দেখতে পাবেন। লাইভ ম্যাচে রিয়েল-টাইম অডস পাওয়া যায় — প্রতিটি মুহূর্তে পরিস্থিতি অনুযায়ী বেট করার সুযোগ থাকে।
নিজেই পরিবর্তন করা যায়:
— পাসওয়ার্ড: অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে যেকোনো সময়।
— যোগাযোগের ইমেইল: সেটিংসে গিয়ে নতুন ইমেইল যোগ করুন এবং যাচাই করুন।
— নোটিফিকেশন পছন্দ: চালু/বন্ধ করার সুবিধা আছে।
সাপোর্টের মাধ্যমে পরিবর্তন:
— নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর পরিবর্তন: এটা KYC-সংক্রান্ত তথ্য, তাই সরাসরি লাইভ চ্যাট বা support@wicket11.best-এ যোগাযোগ করুন। পরিচয় যাচাইয়ের পর পরিবর্তন করা হবে।
— নাম বা জন্ম তারিখ: KYC-এর সাথে যুক্ত, শুধু বৈধ কারণে পরিবর্তন হয়।
মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের অনুরোধ করতে আপনার পুরোনো নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং নতুন নম্বর রেডি রাখুন। সাপোর্ট টিম সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।